আজ ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১০ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

বিশ্বকে হতবাক করলো করোনার এই আবিস্কার

প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ‘নেগেটিভ প্রেসার আইসোলেশন ক্যানোপি’ উদ্ভাবন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের(বিএসএমএমইউ) গবেষকবৃন্দ। তাদের দাবি, করোনা রোগীর শয্যার উপর স্থাপিত তাবু সদৃশ এই যন্ত্র জীবাণুযুক্ত বাতাসকে পরিশোধন করতে পারে। ফলে করোনা সংক্রমণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।শনিবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন গবেষক দলের তত্ত্বাবধায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমানে অনারারি অধ্যাপক খোন্দকার সিদ্দিকী-ই-রব্বানী। এতে যুক্ত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান ও বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়াসহ সংশ্লিষ্ট গবেষকবৃন্দ।

সংশ্লিষ্ট গবেষকদের মতে, ‘নেগেটিভ প্রেশার আইসোলেশন ক্যানোপি’ কেবলমাত্র একটি বিছানার উপরে একজন রোগীকে আলাদা করে রাখবে। তাছাড়া এটির চার দিকের পর্দা স্বচ্ছ ও উঁচু হওয়ায় রোগী কোনো রকম অস্বস্তি বোধ করবে না। বিদেশের যন্ত্রে ক্যানোপির ভিতরের বাতাসের জীবাণু ও ভাইরাসকে কেবলমাত্র বিশেষ ধরণের হেপা ফিল্টার দিয়ে যতটা সম্ভব আটকিয়ে রেখে পরিশোধিত বাতাস আবার হাসপাতালের কক্ষে ছেড়ে দেয়া হয়। এ গবেষক দলের ডিজাইনে হেপা ফিল্টারের সাথে বাড়তি আছে আলট্রাভায়োলেট আলোর প্রযুক্তি যার মাধ্যমে প্রথমেই সব জীবাণু ও ভাইরাস ধ্বংস করে ফেলা হয়। তাই এর গুণগত মান একই উদ্দেশ্যে তৈরি পৃথিবীর অন্যান্য যে কোন যন্ত্র থেকে উন্নত। এর দামও হবে বিদেশের একই ধরণের যন্ত্রের থেকে অনেক কম। তাছাড়া দেশে তৈরি বিধায় সহজে মেরামতের গ্যারান্টিও থাকবে। এছাড়া করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীকে আনা নেওয়া করার জন্য অ্যাম্বুলেন্স বা স্ট্রেচেয়ারেও এটি স্থাপন করা যাবে বলে জানান গবেষকরা।

এই পোস্টটি আমাদের সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন